শিরোনাম
প্রথম পাতা / মতামত / মাংরুদাম হোক মধুপুর আরবোরেটামের প্রাণশক্তি

মাংরুদাম হোক মধুপুর আরবোরেটামের প্রাণশক্তি

পাভেল পার্থ : শিরোনামে ব্যবহৃত দুটি শব্দই অধিকাংশ মানুষের কাছে অপরিচিত। কিন্তু এই শব্দদ্বয় যা বোঝায় তা সকলের কাছে অতি পরিচিত বিষয়। ‘আরবোরেটাম’ হলো এক ধরণের বিশেষ উদ্ভিদ উদ্যানএবং মান্দি বা গারো ভাষায় ‘মাংরুদাম’ মানে শ্মশান। অপরিচিত শব্দেরমোড়কে এই অতি পরিচিত বিষয় নিয়ে সম্প্রতি আবারো তর্ক ওঠেছে মধুপুর শালবনে। ক্ষয়িষ্ণু এই বনের তিন হেক্টর জায়গা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে আরবোরেটাম। একাজে বনবিভাগ প্রায় ৪ হাজার ৮০০ গাছের চারা রোপণ করেছে। এর ভেতর আছে গামারি, গর্জন, গজারি, চাপালিশ, কানাইডিঙ্গা, বহেড়া, ডুমুর, সিধা, ওজা, হরিতকি, আমলকি, গাদিলা, পিত্তরাজ, কাঞ্চন, বনআমড়া। কিন্তু আরবোরেটাম গড়ে তুলতে প্রাকৃতিক বনের ভেতর বনবিভাগ আবারো চারদিকে ইটের দেয়াল ও ব্যারাক নির্মাণ করছে। আর এতেই শংকা ও সন্দেহ জেগেছে আদিবাসী মনে। এর আগেও বনবিভাগ ইকোপার্কের নামে ২০০৪ সনে প্রাকৃতিক বনের ৩০০০ একর কোর এলাকাকে ৬১ হাজার ইটের দেয়াল দিয়ে বন্দি করেছিল। বনমুক্তির আন্দোলনে জীবন দিয়েছিলেন পীরেন ¯œাল। ২০১৮ সনে ‘স্থানীয় নৃগোষ্ঠী জনগণের সহায়তায় ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়ন ও টেকসই ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক একটি প্রকল্প শুরু হয় মধুপুর জাতীয় উদ্যানে। ২০২১ সনের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কেন তর্ক ওঠেছে আরবোরেটাম নিয়ে? কারণ অরণখোলা ইউনিয়নের টেলকি গ্রামের এই অংশে আছে প্রাচীন এক মাংরুদাম। ১৮টি আদিবাসী সংগঠন সভা করে মাংরুদাম ধংসের বিরোধীতা করেন। ২০২১ সনের ২৯ এপ্রিল মাংরুদাম সংরক্ষণের দাবি নিয়ে বনবিভাগের কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেন জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদ। চলতি লেখাটি আরবোরেটাম এবং মাংরুদামের পক্ষে। কারণ প্রাণ-প্রকৃতি ও বাস্তুসংস্থান সুরক্ষায় এদের উভয়ের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। আরবোরেটাম ও মাংরুদাম নিয়ে কোনো বিবাদ বা সংঘাত হওয়ার কথা নয়। কারণ একটি বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভিদ উদ্যান অবশ্যই মাংরুদামের মতো স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দিয়েই তৈরি হওয়ার কথা। দুনিয়াজুড়ে প্রতিষ্ঠিত সকল উদ্ভিদউদ্যান তাই করেছে। প্রকল্পের নাম অনুযায়ী কাজটিতে স্থানীয় আদিবাসীরা প্রধান চালিকা হওয়ার কথা। অথচ ১৩টি আদিবাসী গ্রাম বিরোধীতা করছে। বনবিভাগ আরবোরেটাম এর মানে ও ধরণ স্থানীয়দের বোঝাতে পারেনি। স্থানীয়দের কাছে এটিও আগের মতোই আমদানি করা এক অচিন যন্ত্রণাই মনে হয়েছে। কিন্তু মান্দিদের এই বিস্মৃত মাংরুদামকে নিয়েই গবেষক, শিক্ষার্থী, পর্যটক, সংষ্কৃতিকর্মী, প্রকৃতিপ্রেমীসহ নতুন প্রজন্মের কাছে উদাহরণ হয়ে শালবনের আরবোরেটাম। চলতি আলাপখানি তাই আরবোরেটাম বিষয়ে বনবিভাগের কাছে এই প্রস্তাব হাজির করছে।
আরবোরেটাম ও আদিবাসী
আরবোরেটাম একধরণের এক্স-সিট্যু পদ্ধতির সংরক্ষণ প্রক্রিয়া। বাগান বা উদ্যানের মতো নানা জায়গা থেকে বৃক্ষপ্রজাতি একটি জায়গায় এনে অনুশীলন ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য আরবোরেটাম গড়ে তোলা হয়। এছাড়া এই বিশেষ উদ্ভিদ উদ্যান প্রকৃতিপাঠ ও শিখনভিত্তিক পর্যটনেও ভূমিকা রাখে। ১৮৩৩ সনে জন ক্লদিয়াস ল্যুডন ‘দ গার্ডেনার্স ম্যাগাজিনে’ এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন। ফ্রান্সের আরবোরেটাম ডি পিজারিন, সুইডেনের নর, তুরস্কের আতাতুর্ক, নিউজিল্যান্ডের ঈস্টউড হিল, ওয়াশিংটন ডিসি জাতীয় আরবোরেটাম, ভারতের উটি, ক্যানবেরা আরবোরেটাম দুনিয়ার গুরুত্ববহ সব উদ্ভিদ উদ্যান। পৃথিবীর সব বিখ্যাত আরবোরেটাম ও উদ্ভিদ উদ্যান আদিবাসীসহ স্থানীয় জনগণের উদ্ভিদ জ্ঞান ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করছে। জনউদ্ভিদবিদ্যা এসব অনেক উদ্যানের অন্যতম শক্তি। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় আরবোরেটাম কিংবা রয়েল বোটানিক্যাল গার্ডেনে বিশেষ ‘আদিবাসী অঞ্চল’ আছে। কানাডার অন্টারিওর উদ্যানে আনিশিনাবে আদিবাসীদের উদ্ভিদ জ্ঞান দর্শন ও গবেষণার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।
বিস্মৃত মাংরুদাম
মান্দিদের আদি সাংসারেক ধর্মরীতি অনুযায়ী মৃতের সৎকার ও দাহ হয় মাংরুদামে। মধুপুর শালবনের ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী চালা ও বাইদ দু’ধরণের ভূমি দেখা যায়। প্রাচীন মাংরুদাম গুলো গড়ে ওঠেছিল বনের ভেতর চালা জমিনে। ‘মিদ্দি আসং’ বা পবিত্র পূজাস্থলের মতোই মাংরুদামগুলোও সামাজিকভাবে পবিত্র এলাকা হিসেবে সংরক্ষিত হতো। এমন এলাকায় সজারু, অজগর, গুইসাপ, উঁইঢিবি, মৌমাছির চাক, চামড়াঝোলা ব্যঙ, ময়ূর, হরিণ, চিতা, সর্পগন্ধা, শতমূলী, হস্তীকর্ণপলাশ, অশ্বগন্ধা, কুচ, বচ, তুরুকচন্ডাল, দামবং নামের মাশরুম ও ফার্ণের মতো বিরল বন্যপ্রাণের আধিক্য ছিল বেশি। এসব অঞ্চল থেকে কোনো কিছু সংগ্রহ বা উত্তোলন করা যেত না। প্রজাস্বত্ত¡ আইনের মাধ্যমে ১৯৫০ সনের পর থেকে মধুপুরে নিষিদ্ধ হয় জুম চাষ। খৃষ্টধর্মে দীক্ষিত হয় গরিষ্ঠ মান্দি সমাজ। সাংসারেক রীতির দাকবেওয়াল (আদি সংষ্কৃতি) বদলে যায়। নতুন ধর্মকৃত্যের কারণে আদি মিদ্দিআসং এবং মাংরুদামগুলো বিস্মৃত হতে থাকে। মধুপুর আরবোরেটাম গড়ে তোলা হচ্ছে এমনই এক শতাব্দী প্রাচীন মাংরুদামের ওপর। ক্যাজাই গ্রামের কানচ নকরেকের বাবা রামমোহন চিরান, জলইয়ের রজনী হাগিদকের মা রেংজি হাগিদক, রাজাবাগির নিরলা চিরানের দাদু মংলা চিচাম ও দাদি জিজি চিরান, গায়রার অনতি নকরেকের বাবা থিনেন্দ্র সিমসাং এমন সহস্র পূর্বজন ঘুমিয়ে আছেন এই মাংরুদামের তলায়। মলাজানির চিজিং জেংচাম ছিলেন হাবিমার (মধুপুরকে মান্দিরা বলে হাবিমা মানে মায়ের মাটি) বড় খামাল (পুরোহিত)। চিজিংয়ের শিষ্য সাইন্যামারীর খামাল তুষান মৃ, বাঙালিরা ডাকতো সুলতান কবিরাজ। একদিন টেলকি মাংরুদামের কাছে তার পথ আটকে ছিল বিশাল সব তিথেং আর গেনালেরা। মুখে ফেনা নিয়ে একদিন বেঁহুশ পড়েছিলেন বিশাল এক আজুগি গাছের তলায়। মাংরুদাম থেকে ফেরার পর বাড়িতে নারীরা রাও (এক ধরনের লাউপাত্র) থেকে চু (ঐতিহ্যগত পানীয়) ঢেলে ‘সামরাংগালা’ কৃত্য করতেন। সুর টেনে টেনে আত্মাকে বলতেন, ‘..কোনো সকশ শয়তান যেন বাড়িতে না আসে, আমরা সবকিছু যমকে মাংরুদামে দিয়ে এসেছি’। মৃতের স্মরণে মাংরুদামে স্থাপিত হতো নানা মাপের ও নকশার স্মৃতিস্মারক ‘খিমা’। প্রতিটি মাংরুদাম ঘিরে এমন শত সহস্র গল্প মিশে আছে মধুপুর শালবনে। এসব আখ্যান সংগ্রহ এবং এর ভেতর দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে এক সৃজনশীল পর্যটন উপহার দিতে পারে বনবিভাগ।
পবিত্র অঞ্চল সুরক্ষা কেন জরুরি
জাতিসংঘ, বিদ্যায়তন কী পাবলিক পরিসরে আদিবাসীসহ স্থানীয় জনগণের বিশ্বাস ও ধর্মীয় কৃত্যের মাধ্যমে প্রাণ-প্রকৃতি সংরক্ষেণর বিষয়টি আজ গবেষিত ও স্বীকৃত। দেখা গেছে এমন পবিত্র অঞ্চল গুলোই পাখিসহ দুর্লভ বন্যপ্রাণ্যের নিরাপদ আশ্রয়স্থল এবং এখানেই দেখা মেলে হারিয়ে যাওয়া বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণীর। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ হতে ২০০২ সালে দেশের পবিত্র উদ্ভিদ ও পবিত্র বনপ্রতিবেশ অঞ্চলের এলাকাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করি। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন(বাপা) কর্তৃক ২০০২ সনে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ’ শীর্ষক গবেষণা সংকলনের ভলিউম-১ এ প্রকাশিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর পক্ষে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত ৬-৭ জুলাই ২০০৩ তারিখের কর্মশালায় বাংলাদেশের ২১ প্রজাতির পবিত্র বৃক্ষ ও প্রায় ষাটের অধিক পবিত্র বনভূমির তালিকা উত্থাপন করি যা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত হয়। এই কর্মশালাতে দেশের পবিত্র বৃক্ষ ও বনভূমি সংরক্ষণ বিষয়ে প্রস্তাবনা গৃহীত হয়। ১০ জুলাই ২০০৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিবের সভাপতিত্বে ঔষধি উদ্ভিদ সংক্রান্ত এডভাইজরী কমিটির সভায় ২৯ নং সিদ্ধান্ত হিসেবে ‘দেশের ঐতিহ্যবাহী পবিত্রবৃক্ষ ও বনাঞ্চলসমূহ যথাযথভাবে সংরক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য’ কার্যকর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় (সূত্র: নং-পবম/শা-৫/ঔঃউঃ-২৯/২০০৪/৩৪৬, তারিখ ১০ আগস্ট ২০০৪, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার)। ২০০৩ সনে প্রকাশিত ‘মধুপুরের প্রাণবৈচিত্র্য’ বইতেও মধুপুরের জনউদ্ভিদতাত্তি¡ক বিবরণ আছে। বইটিতে মধুপুর বনের ১০৩ প্রজাতির বৃক্ষের কথা তালিকাবদ্ধ হয়েছে। মধুপুরে জনউদ্ভিদ গবেষণায় ৫৯ উদ্ভিদ পরিবারের ১০৯ প্রজাতির উদ্ভিদের নানাবিধ মান্দি ব্যবহার জানতে পেরেছি, যেসব উদ্ভিদের গরিষ্ঠভাগই একসময় মাংরুদাম বা মিদ্দিআসংয়ের মতো পবিত্র সংরক্ষিত অঞ্চলে পাওয়া যেত। গবেষণাটি ২০০৭ সনে ‘বাংলাদেশ জার্নাল অব প্ল্যান্ট ট্যাক্সোনমি’র ১৪(২) সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। আদিবাসী প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে ১৪ আগস্ট ২০০৪ তারিখে আদিবাসী এলাকার পবিত্র বৃক্ষ ও পবিত্র এলাকা সংরক্ষণ বিষয়ক একটি খসড়া রূপরেখা ও প্রস্তাব সরকারের কাছে প্রেরণ করি। পরবর্তীতে ‘বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২’ পবিত্র উদ্ভিদ, স্মারক বৃক্ষ, পবিত্র বন, কুঞ্জবন সংরক্ষণের নির্দেশনা দেয়। টাঙ্গাইল বনবিভাগ এখন কী করবে? জনগণের খাজনার টাকায় গায়ের জোরে এক বিস্মৃত মাংরুদামের ওপর আরবোরেটাম বানাবে নাকি স্থানীয়দের ঐতিহ্য, ইতিহাস, উদ্ভিদজ্ঞান এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জেনে বিজ্ঞানভিত্তিক সৃজনশীল পদক্ষেপ নেবে?
একটি জনউদ্ভিদ আরবোরেটাম
মধুপুর বনের আরবোরেটামটি একটি জনউদ্ভিদ আরবোরেটাম হিসেবে গড়ে তোলা যায়। এখানে মধুপুর শালবনের উদ্ভিদবৈচিত্র্য সংরক্ষিত হবে। এসব উদ্ভিদের পাশে মান্দি-কোচসহ স্থানীয় মানুষের উদ্ভিদজ্ঞানের বিবরণ থাকবে। লোকায়ত ভূমিবিন্যাস অনুযায়ী কোন ধরণের উদ্ভিদ কেমন স্থানে জন্মে এবং বন্যপ্রাণের সাথে মানুষের সমাজের কী সম্পর্ক তার নমুনা থাকবে। লোকায়ত পরিবেশ ও প্রকৃতি ব্যবস্থাপনার অডিও, ভিডিও, পোস্টার ও নমুনা প্রদর্শিত হতে পারে। প্রবীণ কবিরাজ এবং খামালদের নিয়ে বিশেষ শিখন কর্মশালা আয়োজন করা যেতে পারে। স্থানীয় আদিবাসী যুবদের প্রশিক্ষিত করে আরবোরেটাম ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করতে হবে। যুক্ত হতে পারে লোকায়ত চিকিৎসাসেবা, মান্দিরীতির খাদ্য আয়োজন কিংবা প্রকৃতিবান্ধব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রাকৃতিক বনের ভেতর ইটের দেয়ালে কিছু গাছের চারা লাগিয়ে প্রকল্পের মেয়াদ পূর্ণ করা নয়, সত্যিকাভাবেই মধুপুর বনে একটি জনউদ্ভিদ আরবোরেটাম গড়ে তোলা সম্ভব। যা ঘুচাতে পারে বনবিভাগ ও আদিবাসীদের দূরত্ব। সুরক্ষিত রাখতে পারে শালবনের ঐতিহ্য, প্রাণবৈচিত্র্য ও বাস্তুসংস্থান।

পাভেল পার্থ,

গবেষক, প্রতিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ।

ই-মেইল: animistbangla@gmail.com

 

Facebook Comments
Print Friendly, PDF & Email

Материалы по теме:

মানবিক সাহায্যের আবেদন; আপনার একটু সহায়তা বাচাঁতে পারে একটি প্রাণ
আচিক নিউজ ডেস্ক: মিতালী শিপা মৃ, এক সন্তানের জননী, বয়স ৩৮, স্বামী : রাফায়েল চাম্বুগং, মধুপুরের ইদিলপুর গ্রামের শিরিল চাম্বুগং ও প্রিয়ম মৃ’র দ্বিতীয় ...
চলেশ রিছিলের ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আচিক নিউজ ডেস্ক: আজ ১৮ই মার্চ, চলেশ রিছিল হত্যা দিবস । আজ থেকে ১৩ বছর আগে ২০০৭ সালের এই দিনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশে ...
মধুপুর শালবন রক্ষা আন্দোলন
পাভেল পার্থ : টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবন পৃথিবীর এক প্রাচীন পত্রঝরা অরণ্য। ‘গড়’ হিসেবে পরিচিত এই বনের আদিবাসিন্দা মান্দি (গারো) ও কোচ-বর্মণ জাতি। মান্দি ভাষায় এই ...
ফরমি সুচিয়াং আহত কেন জবাব চাই?
পাভেল পার্থ : দেশে বনভূমি সুরক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বনবিভাগ। সরকারি হিসাবে দেশে ১১ ভাগ বন আছে, যদিও থাকা দরকার ২৫ ভাগ। বনবিভাগের অনেক উল্লেখযোগ্য ...
অকৃতজ্ঞ সভ্যতা ও দগ্ধ আমাজন বন
পাভেল পার্থ: পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে আমাজন বন। বলা ভাল এক করপোরেট নয়াউদারবাদী দুনিয়া খুন করে চলেছে দুনিয়ার এই বৃহত্তম বর্ষারণ্য। গলে পুড়ে ঝলসে ...

এক নজরে

বনাখলা ও আগার খাসিপুঞ্জির ন্যায়বিচার

পাভেল পার্থ : আদিবাসী খাসিরা পাহাড়ি-টিলায় গড়ে তোলা নিজেদের গ্রামকে ‘পুঞ্জি’ বলে। বাংলাদেশে প্রধানত ধানভিত্তিক কৃষিজীবন …

error: Content is protected !!