শিরোনাম
প্রথম পাতা / খবর / ভাষা শহীদদের প্রতি বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের বিনম্র শ্রদ্ধা

ভাষা শহীদদের প্রতি বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের বিনম্র শ্রদ্ধা

আচিক নিউজ ডেস্ক:  ২১ ফেব্রুয়ারী সকালে বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিও এবং মহাসচিব হেমন্ত আই কোড়াইয়ার নেতৃত্বে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের (বিসিএ) সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধ জোনাস গমেজ, যুগ্ম সচিব-১ জেমস সুব্রত হাজরা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক থিওফিল রোজারিও, ঢাকা ক্রেডিটের ভাইস-প্রেসিডেন্ট আলবার্ট আশিস বিশ্বাস, ট্রেজারার পিটার রতন কোড়াইয়া, প্রাক্তন ট্রেজারার বিপুল লরেন্স গমেজ, বোর্ড অব ডিরেক্টর প্রত্যেশ রাংসা, আনন্দ ফিলিপ পালমা, পল্লব লিনুস ডি রোজারিও, ক্রেডিট কমিটি সেক্রেটার জনি এস গমেজ, সদস্য অন্তর মানখিন, বীর মুক্তিযোদ্ধ বিজয় ম্যানুয়েল ডি. প্যারেস, বিসিএ’র দপ্তর সম্পাদক স্বপন রোজারিও, কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য ভিক্টর রে, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার বিসিএ শাখার সেক্রেটারি মলয় নাথ, বিসিএ’র বনানী থানা শাখার সেক্রেটারি সেবাষ্টন বাড়ৈ, বিসিএ’র আগৈলঝড়া থানা শাখার সেক্রেটারি ক্লেমেন্ট টি ঢালী, বিসিএ’র মোহাম্মদপুর শাখার সদস্য মেরিলিন বিশ্বাস, শিল্পী বৈদ্য, সমীরণ সরকার ও শিক্ষা-সাংস্কৃতিক সম্পাদক নিলু বিশ্বাস।

বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিও বলেন, ১৯৫২ সনে মায়ের ভাষা রক্ষার জন্য যারা জীবন দিয়েছিলো, তাদের শ্রদ্ধা জানাই। আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৫২ সনের এজকের দিনে স্বাধীনতার বীজ বপন করা হয়েছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা ১৯৭১ মুক্তিযোদ্ধে আমরা স্বাধীন হয়েছি। আজকের দিনে আমার আহ্বান, পৃথিবীর একটি ভাষাও যেন বিলুপ্ত না হয়। ভাষাগুলো রক্ষার জন্য যেন প্রত্যেক সরকার কাজ করে । তিনি বলেন, ভাষার মাহাত্ম আমরা প্রত্যেকে যেন বুঝতে পারি। সম্মিলিতভাবে একটি সুন্দর দেশ গড়বো এটিই আজকে আমাদের চাওয়া।

বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের মহাসচিব ও ঢাকা ক্রেডিটের সেক্রেটারি হেমন্ত আই কোড়াইয়া বলেন, যারা ভাষা আন্দোলনে নিহত হয়েছেন, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আমাদের দাবী যেন সর্বস্তরে বাংলা ভাষা শুদ্ধভাবে প্রয়োগ করা হয়।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকেরা যখন অন্যায়ভাবে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাঙালির ওপরে চাপিয়ে দিতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সারা পূর্ব বাংলা ফুঁসে উঠেছিল প্রতিবাদে, বিক্ষোভে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিছিল করে এগিয়ে যেতে থাকলে তাঁদের ওপর গুলি চালানো হয়। ভাষার জন্য সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ অনেকে নিহত হন। পৃথিবীতে একমাত্র বাংলার মানুষ ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে।

-প্রে/বি

Facebook Comments

এক নজরে

এমরিপ মেম্বার নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের বিনোতাময় ধামাই

সোহেল হাজং : পার্বত্য চট্রগ্রামের ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীর (জুম্ম) আদিবাসী এক্টিভিস্ট বিনোতাময় ধামাই জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের …

error: Content is protected !!