শিরোনাম
প্রথম পাতা / আদিবাসী / আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা ও শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা ও শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আচিক নিউজ ডেস্ক : “সকল আদিবাসী শিশুদের জন্য প্রাথমিক স্তরে নিজ মাতৃভাষায় শিক্ষা ব্যবস্থা চালু এবং আদিবাসী শিক্ষক নিয়োগের” দাবিতে আদিবাসী ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে ১৫ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, রাজশাহীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট মোড়ে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন ও সমাবেশে আদিবাসী ছাত্র পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নকুল পাহানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুন মুন্ডা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রতিশ টপ্য, রাজশাহী কলেজ শাখার সভাপতি সাবিত্রী হেমব্রম, কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধক্ষ অনিল রবিদাস, দপ্তর সম্পাদক পলাশ পাহান প্রমুখ।

এছাড়াও সংহতি বক্তব্য রাখেন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনকি সম্পাদক বিমল চন্দ্র রাজোয়াড়, সহ-সাধারণ সম্পাদক গনেশ মার্ডি, দপ্তর সম্পাদক সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, কেন্দ্রীয় সদস্য বিভূতী ভুষণ মাহাতো, আদিবাসী যুব পরিষদ রাজশাহী জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক উপেন রবিদাস, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ নিয়ামতপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অজিত মুন্ডা প্রমুখ।

আরও সংহতি বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিষ্ট প্রশান্ত কুমার সাহা, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বাজশাহী জেলা সভাপতি শাহাজাহান আলি বরজাহান, ন্যাপ রাজশাহী জেলা সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান খান আলম, নবজাগরন ছাত্র সমাজের উপদেষ্টা তামিম সিরাজী প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, সরকার আদিবাসীদের ৬ টি ভাষায় প্রাথমিক স্তরে শিক্ষাব্যবস্থা চালু করলেও স্কুল গুলোতে আদিবাসী শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারে নি। উত্তরবঙ্গের একটি বহুল ব্যবহৃত আদিবাসী ভাষা হল সাদরি। কিন্তু যেসব স্কুলে সাদরি ভাষায় শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে। সেখানে আদিবাসী শিক্ষক ছাড়াই বাঙালি শিক্ষকদের দিয়ে পাঠদান চলছে। এতে আদিবাসী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাগ্রহনে বিভ্রান্ত হচ্ছে। মানববন্ধনে সরকার অতিদ্রুত এই সকল স্কুলে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য আদিবাসী শিক্ষক নিয়োগ প্রদানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করার দাবী জানানো হয়। একই সাথে যেসকল স্কুলে এখনো আদিবাসী ভাষায় প্রণীত বই বিতরন করা হয় নি। সেখানে আদিবাসী ভাষায় প্রনীত পাঠ্যপুস্তক দ্রুত বিতরনের দাবী জানান। বক্তারা আরও বলেন, সরকার এসডিজি বাস্তবায়ন করার প্রয়াস নিলেও এসডিজিও যে স্লোগান “কাউকে পিছনে ফেলে নয়” এটার সঠিক বাস্তবায়ন হবে না, যতক্ষন আদিবাসীদের উন্নয়ন এবং এদের অস্তিত্বের উপর গুরুত্ব না দেওয়া হবে।

Facebook Comments

এক নজরে

এমরিপ মেম্বার নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের বিনোতাময় ধামাই

সোহেল হাজং : পার্বত্য চট্রগ্রামের ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীর (জুম্ম) আদিবাসী এক্টিভিস্ট বিনোতাময় ধামাই জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের …

error: Content is protected !!