শিরোনাম
প্রথম পাতা / ধর্ম / ভক্তি শ্রদ্ধা আর প্রার্থনায় শেষ হল বারমারী তীর্থ

ভক্তি শ্রদ্ধা আর প্রার্থনায় শেষ হল বারমারী তীর্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক : মা মারীয়ার ভক্তকুলের শ্রদ্ধা ভক্তি ও প্রার্থনায় শেষ হল বারমারী ফাতেমা রানী তীর্থ । ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, মহাসমারোহে  শুরু হয় তীর্থ উৎসব । এ উপলক্ষ্যে বারমারী সেজেছিল বর্ণিল সাজে ।

গুরিগুরি বৃষ্টির মাঝেই বিকেল ৩ থেকে পাপস্বীকার /পুনর্মিলনীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় ফাতেমা রানী মা মারীয়ার তীর্থ ।বিকাল ৪টায় শুরু হয় পবিত্র খ্রীষ্টযাগ । ৮টায় মা মারীয়ার গ্রটো (ডিস্পেন্সারির পাশে) থেকে শুরু হয় আলোক শোভা যাত্রা । আলোকে শোভাযাত্রার পর নিরাময় অনুষ্ঠান এবং নিশি জাগরণ অনুষ্ঠিত হয় ।বৈরি আবাহাওয়ার কারণে তীর্থযাত্রীদের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয় এবার ।

২৫ অক্টোবর শুক্রবার, সকাল সারে আটটায় ক্রুশের পথ অনুষ্ঠিত হয় । সকাল ১০ টায় মহা খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের নাটোরের ফা: ইন্মানুয়েল কানন রোজারিও এবং সহযোগিতা করেন ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের ধর্মপাল মহামান্য বিশপ পনেন পল কুবি সিএসসি ডিডি এবং বিভিন্ন ধর্মপল্লী থেকে আগত ফাদারগণ ।

মহা খ্রীষ্টযাগের মধ্যদিয়ে শেষ হয় আনুষ্ঠানিকতা।

এবারের তীর্থের মূলসুর ছিল ‘বিশ্বাসের যাত্রায় মিলন সমাজ গঠনে ফাতেমা রানী মা মারিয়া । এবারের মা মারীয়ার তীর্থে প্রায় পচিশ হাজার খ্রিষ্টভক্ত ও তীর্থযাত্রী অংশগ্রহণ করেন  ।

টাঙ্গাইল মধুপুর থেকে আসা তীর্থযাত্রী শুভ্র নকরেক আচিক নিউজ কে বলেন, আমরা গ্রাম থেকে ৫৭ জন খ্রিষ্টভক্ত মা মারীয়ার তীর্থে এসেছি । এখানে আমরা মা মারিয়ার কাছে প্রার্থনার মাধ্যমে পূন্য অর্জন করতে পারি । বৃষ্টির কারণে এবার মুল পেন্ডেলে জায়গা পাইনি । বাইরে থেকে ছাতা মাথায় দিয়ে খ্রীস্টযাগে অংশগ্রহণ করেছি ।স্থায়ী পেন্ডেলের পরিধি আরো একটু বাড়ালে খ্রীষ্ট ভক্তদের জন্য সুবিধা হতো ।

শেরপুর ঝিনাইগাতীর মেরী দিও বলেন, আমি এখানে আসি কারন আমার মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোক শোভাযাত্রা করতে ভালো লাগে আর এখানে আসলে অনেক পরিচিত লোকের সাথে দেখা হয় ।

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তীর্থযাত্রী বলেন, আমরা এখানে এসে একসাথে মায়ের চরণে প্রার্থনা করি আমাদের পাপ থেকে মুক্তির জন্য । সেই সাথে মনের চাওয়া মায়ের মাধ্যমে পুরণ করার জন্য ।তবে এবার বৃষ্টির জন্য অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে ।বৃষ্টির সময় পেন্ডেলে যায়গা পাইনি, কোন ঘর বা বারান্দা খালি ছিলনা, হোটেলে-দোকানে আশ্রয় নিতে হয়েছে । তীর্থস্থানের সামনে যে খারাপ অবস্থা হয়েছিল কর্তৃপক্ষ চাইলেই ঐ টুকু জায়গা সিমেন্ট দিয়ে প্লাস্টার করে এই সমস্যার সমাধান করতে পারে । তাতে আমাদের দুর্ভোগ কমতো ।

১৯৯৮ সাল থেকে শুরু হওয়া বারমারী ফাতেমা রানী মা মারীয়ার তীর্থটি এবছর ২২ তম তীর্থ ।

Facebook Comments

এক নজরে

মরিয়মনগর ক্রেডিট ইউনিয়নের এজিএম অনুষ্ঠিত

আচিক নিউজ ডেস্ক : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মরিয়মনগর কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি. এর  ২২ তম …

error: Content is protected !!